হরিনাকুন্ডতে মসজিদের জমি নিজেদের দ্বাবী করে বর্ধিত অংশ ভাঙ্গন !এলাকায় নিন্দার ঝড় !

 

 

ঝিনাইদহ সংবাদ ডেস্ক ঃ    ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে  মসজিদের একাংশের টিনসেডটি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে  একই এলাকার  মসজিদের জমি দ্বাবীকৃত কয়েকজন।  ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সকালে উপজেলার রঘুনাথপূর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় । বিষয়টি নিয়ে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে ঝিনাইদহ কোর্টে একটি মামলা করা হয়েছে।অপর দিকে মসজিদ এর অতিরিক্ত অংশ ভাঙ্গার অভিযুক্তরাও মসজিদ কমিটির নামে একটি মিথ্যা হয়রানিমুলক মামলা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন  মসজিদ কতৃপক্ষ।

মসজিদ কমিটির সভাপতি মোঃ মাহাবুব , সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা , কোষাধ্যক্ষ আঃ কুদ্দুস এবং সদস্য আঃ রাজ্জাক ও খলিল বিস্বাস জানান, গত ১৯৯৭ সালে সৌরাভ হোসেন ১৭নং মৌজার এসএ খতিয়ান ২৯ এর দাগ নং ২২০১ থেকে ৮শতক জমি মসজিদের জন্য দান করেন এবং ঐ জমিতে পাকা মসজিদ ভবণ তৈরী করে মসজিদ কমিটি , পরবর্তীতে ২০০০ সালে আব্দুল খালেকের নিকট থেকে একই মৌজার ১৭২ নং খতিয়ানের ২২০২ নং দাগের ১৪ শতক জমির মধ্যে প্রথমে ২শতক পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর ৪ শতক জমি ক্রয় করে মসজিদ কমিটি , রেজিস্ট্রী খরচ কমাতে দলিল দুইটি দানপত্র দলিল করা হয় ।

মসজিদ নেতৃবৃন্দ জানান, যায়গার অভাবে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে সমষ্যা হচ্ছিল বিধায় জমি কিনে বর্ধীত অংশে মূল ভবনের সাথে টিমসেড করা হয় , সেখানে অতিরিক্ত মুসল্লীদের নামাজ আদায় অব্যহত ছিল। হঠাৎ গত বুধবার জমিদাতার চাচাতো ভাই ছালামত , নজরুল ও সুনু গং লোকজন নিয়ে ধারালো অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মসজিদে হামলা চালায় এবং বর্ধীত অংশের টিনসেডটি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয় ।

মসজিদ কমিটি জানায় জমিদাতা আঃ খালেক ১৯৯৭ সালে তার চাচা একুববার মন্ডলের কাছ থেকে ঐ জমি এওয়াজ বদলী করে এবং পাল্টা জমির সমতা আনতে সাথে অতিরিক্ত ১০হাজার টাকা প্রদান করেন । পরবর্তীতে একুববার মন্ডল মারা গেলে তার ছেলেরা এ্যয়াজ বদলী রেজিস্ট্রী মনতে চাইনা তারই ফলশ্রুতিতে জমি দখলের উদ্দ্যেশে তারা হামলা চালালে আসপাশের জনতা এবং মুসল্লিরা তাদের বাধা দেয় । ঐ সময় তারা ভাংচুর শেষে ঘটনা স্থল ত্যাগ করলেও এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা তোলার জন্য মামলার বাদী সহ মসজিদ কমিটির বাকী সাক্ষীদের প্রাণ নাশের হুমকী দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মসজিদ কমিটির সদস্যরা।

উল্লখ্য মামলার বাদীর আবেদনের প্রক্ষীতে ঐ স্থানে ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকা সত্তেও দুবৃত্তরা ধারা ভেঙ্গে সেখানে শক্তির বলে কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে , উপেক্ষা করছে তারা ফাড়ী ও থানা পুলিশকে । এমতঅবস্থায় মুসল্লিদের সংঙ্কামূক্তভাবে নামাজ আদায়ে এবং চলমান ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাশ্তির ব্যবস্থা করতে ঝিনাইদহ জেলা প্রশসক সরোজ কুমার নাথ সহ হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা নাফিস সুলতানা এর আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ।

এছাড়াও মসজিদ কমিটির সভাপতির স্বাক্ষরকৃত লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর মসজিদ কমিটির নের্তৃবৃন্দ।

এব্যারে থানা অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মসজিদ কমিটির দায়েকতৃক অভিযোগ সত্য। দূর্বত্তরা বার বারই ১৪৪ ধারা অমান্য করে উল্লেখিত স্থানে কাজকর্ম অব্যাহত রাখছে। পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছলে তারা দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে পূনরায় আবার দখল নেওয়ার জন্য ঘটনাস্থলে ফিরে আসছে।